Saturday, October 20, 2012

কার্টুন ও ক্যারিকেচার ওয়ার্কশপ

গত ১৬ই অক্টোবর হাতিরপুলের সেভেন হিল রেস্তোঁরায় হয়ে গেল কার্টুন ও ক্যরিকেচার ওয়ার্কশপ। বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় কর্মরত প্রায় সব তরুণ কার্টুনিস্ট এই ওয়ার্কশপে আসতে পেরে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আসন্ন কার্টুন মেলা উপলক্ষ্যে সবাই এই ওয়ার্শকপে নড়েচড়ে বসেন (কেউ কেউ শুয়েও পড়েন) সকাল এগারোটা থেকেই গুটি গুটি পায়ে সবাই সাতপাহাড় রেস্তোরাতে এসে জমতে শুরু করেন। জানা যায় পাহাড়ে উঠতে হবে লিফটের ৬ এ। যথারীতি সবার আগে এসে পৌঁছান এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা কিংবদন্তী কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব। এর পর একে একে আধা ঘন্টার মধ্যে ১৫ জন কার্টুনিস্ট এসে যান। সর্বসম্মতিক্রমে প্রথমেই কফি ব্রেক দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর সবার হাল্কা ঝিমানির পর আহসান হাবীব তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। সেই সত্তরের দশকে তাঁরা যখন কার্টুন শুরু করেন তখনকার থেকে এখনকার সুবিধা ও অসুবিধা ইত্যাদী নিয়ে কথা হয়। সবাই আবারো টের পান যে এ সময়ে ডিজিটাল টেকনোলজি তাদের জীবনের কত সময় বাঁচিয়ে দিয়েছে। সে সময়ে কপি পেস্ট বা একই ছবি বড় ছোট করার কোন উপায়ই ছিলো না। এই প্রসঙ্গেই তিনি আক্ষেপ করে বলেন সেই তুলনায় আমাদের কাজের পরিমাণ অনেক কম। বর্তমানের পত্রিকার ফান সাপ্লিমেন্টের জোয়ারকে তিনি পজিটিভলই দেখেন এ কথা বলার পর পর সেটার কিছু নেতিবাচক দিক নিয়েও বললেন। যেমন সেখানে 'কার্টুন' না হয়ে বরং ইলাস্ট্রেশন বেশী হচ্ছে। মানে অন্য কারো একটা 'লেখা' র সাথে কার্টুনিস্ট কিছু একটা এঁকে দিচ্ছেন। বিশুদ্ধ কার্টুন আর হচ্ছে না। আবার অনেক ভাল ভাল আইডিয়া দেখে হাসতে গিয়ে নিচে ছোট করে যখন দেখা যায় 'ওয়েবসাইট থেকে' তখন একটু দমে যেতে হয়। তাই সবাইকে আইডিয়া ভিত্তিক বেশী বেশী কাজ করতে আহবান জানান তিনি। এর পরেই কমিক্স নিয়ে কথা হয়। শুধু দুই তিন পাতা করে কার্টুন এঁকে হবে না, আমাদের এখন কমিক্স শুরু করতে হবে- বলেন তিনি। এবং এখনো কেন আমরা কমিক্স করছি না সেটা জানতে চান তিনি। জবাবে বের হয় 
- আলসেমী লাগে
- গল্প পাই না
- প্রকাশক কই
- কিভাবে করব
একে একে সব গুলিরই জবাব মেলে সাথে সাথে। রেডিমেড গল্প দিয়ে শুরু করতে বলা হয় সবাইকে (সাথে সাথে একটা কৌতুক বলে সবাইকে সেটা কমিক্স এর মত করে আঁকতে বলা হয়-সবাই প্রবল উৎসাহে আঁকতে বসে) কমিক্স আঁকলে প্রকাশক তিনি নিজে জোগাড় করে দেবেন এমন কথা দেন। কিভাবে করব এর জবাবে অচিরেই এই বিষয়ক একটা কর্মশালা করা যেতে পারে বলে জানান। দেখতে দেখতে দুপুরের খাবারের সময় হয়ে যাওয়ায় ইভেন্টের মূল সমন্বয়কারী ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট 'শোরগোল' এর ডিরেক্টর ইমরান ভাই সবাইকে 'বুফে'' তে ডাকেন। (সবাই এখানে দ্বিগুণ বেগে ঝাঁপিয়ে পড়েন)। খাওয়া দাওয়া শেষে ঠিক ৩ টা ৩৩ মিনিটে এসে পৌঁছান শিশির ভট্টাচার্য। সে সময়ে প্রজেক্টরে চলতে থাকা জেসন সেইলারের ক্যারিকেচার বিষয়ক ভিডিও টিউটোরিয়াল তিনি সবার সাথেই বসে দেখেন। এর পরে ক্যারিকেচার নিয়ে খুবই সংক্ষেপে তরুণ কারটুনিস্টদের কিছু উপদেশু দেন তিনি। সবাইকে যার যার নিজের ক্যারিকেচার করতে বলা হয় (এ সময়ে অনেককেই কপি করার চেষ্টা করতে দেখা যায়, একজন তাঁর মানিব্যাগ থেকে নিজের ছবি দেখে লুকিয়ে লুকিয়ে আঁকতে গিয়ে শিশির স্যার এর হাতে ধরা খান)। সেখানে বেশ কিছু মজার ড্রয়িং চলবার পরে এরপর চলে শিশির ভট্টাচার্যের ক্যারিকেচার করার পালা। সেই পর্ব শেষে আসন্ন প্রদর্শনী নিয়ে তিনি বেশ কিছু মূল্যবান কথা বলেন। মূলতঃ আইডিয়া বিষয়ক। এর ফলে অনেকের কাছেই প্রদর্শনীতে কাজ দেবার জন্যে আইডিয়া করাটা আগের চে' সহজ হয়ে যায়।

বিকেল পঁচটার দিকে সবাই ধীরে ধীরে যে যার বাসায় (সবাই খেয়াল করলে দেখবেন তার পরদিন প্রায় কোন পত্রিকাতেই কার্টুন বের হয় নি,  সবাই এই কোর্সের জন্যে অফিস বাদ দিয়ে বসে ছিল)। ফিরবার সময় সবাই এক বাক্যে স্বীকার করলেন তার কার্টুনজীবনের এ পর্যন্ত সবচেয়ে দারুণ দিনটা এদিনই ছিল (অনেক বললেন সেটার জন্যে নাকি 'বুফে' টাই দায়ী)।

যাই হোক, এসোসিয়েশনের সবাই সেদিন বাংলাদেশের এই কিংবদন্তি দুই কার্টুনিস্টকে একত্রে পেয়ে যথেষ্ট গর্ব নিয়ে নতুন উদ্যমে কাজে ফিরে যায়। কর্মশালার এটাই প্রাপ্তি।



কর্মশালার পোস্টার
  আহসান হাবীব
কার্টুনাচার্যের পাঠ

কমিক্স কেন হচ্ছে না (চুলের যত্ন নিয়েই অনেকে সময় পায় না অবশ্য)
হুমমমম



লাউঞ্জের চিপায়-১

লাউঞ্জের চিপায়-২



সর্বডানে মাসুম ভাই তাঁর আজদহা সাইজের পেন্সিলটা হারানোর আগে

সাদাত, ডেইলি স্টার থেকে পালিয়ে এসে সেভেন হিলে কমিক্স আঁকা চলছে

ফিসিফিস

আবু ভাই, ছবি তোলার সময় ভুড়ি চাপানোর ব্যর্থ চেষ্টা

আবু ভাই, দম বন্ধ অবস্থায়

কালের কন্ঠে পরদিন কার্টুন না যাবার কারণ- কার্টুনিস্ট বিপ্লব এখানে

ক্যারিকেচারিস্ট রিও ষুভ



আরাফাত- এ সব আমি বাঁ হাতেই পারি

কার্টুনিস্ট জাহানারা নার্গিস- বুফে'তে পাশে সাদাত ও কার্টুনিস্ট রাজীব

ইফতারির আগে (আরাফাতের দোয়া ও মোনাজাত)


ছবিটা একটু পরে তোলেন, লাইট না থাকলে আমি আসব না

তরুণ কার্টুন শিল্পীজ

ড্রয়িং এর শেষ সময় পর্যন্তও আইডিয়া পালটে যেতে পারে

সেলফ ক্যারিকেচার আঁকছেন মাস্টার ক্যারিকেচারিস্ট


আইডিয়া নিয়ে আরো ভাবতে হবে


আঁকো

জ্বী স্যার

গ্রুপ ছবি

হাস্যোজ্জ্বল গ্রুপ ছবি


সেদিন ওয়ার্কশপে কার্টুনিস্ট যারা যারা ছিলেন
-নাজমুল মাসুম-------------কালের কন্ঠ
-বিপ্লব--------------------কালের কন্ঠ
-ষুভ ---------------------কালের কন্ঠ
-আরাফাত করিম-----------উন্মাদ
-তন্ময়-------------------ডেইলি সান
-র‌্যাটস আসিফ------------ফৃ ল্যান্সার
-আবু হাসান --------------ফৃ ল্যান্সার
-রাজীব-------------------উন্মাদ
-জাহানারা নার্গিস-----------উন্মাদ
-মোর্শেদ মিশু--------------উন্মাদ
-সাদাত-------------------ডেইলী স্টার
-মেহেদী------------------নিউ এইজ
-এস এম রাকিব------------ ফৃ ল্যান্সার

Thursday, October 18, 2012

বাংলাদেশ কার্টুন ফেস্ট ২০১২


অবশেষে এসোসিয়েশন তার প্রতিশ্রুত কার্টুন মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই প্রথমবারের মত একটি কার্টুন প্রদর্শনীতে কোন স্পন্সর পাওয়া গেল। তাদের ধন্যবাদ (যথাসময়ে তাঁদের নাম ও ধাম জানানো যাবে।) সামনের নভেম্বারের ১৫-১৯ দৃক গ্যালারির দুই ও তিনতলা জূড়ে বাংলাদেশের প্রথম কার্টুন মেলা শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের বৈশিষ্ট্য হল প্রদর্শনীতে তিনটা বিভাগ থাকবে।
১। কার্টুন
২। ক্যারিকেচার
৩।এনিমেশন

শুধু ক্যারিকেচারের চল বাংলাদেশে প্রায় নেই বললেই চলে, আর সেই সাথে দেশে যে এখন এনিমেশন হয় সেটাও অনেকেই জানেন না। আশা করা যায় এবারে এই দুইটি জনপ্রিয় ধারার একটা পাব্লিক ডিসপ্লে সম্ভব হবে। সেই সাথে অনুষ্ঠান আরো প্রাণবন্ত করতে বেশ কিছু লাইভ ইভেন্ট (লাইভ ক্যারিকেচার, এনিমেশন শো, কাটআউট ফটোগ্রাফি) থাকছে।

এবারে কার্টুন মেলাটা শুরু হচ্ছে শুধু, পরেরবার এর ব্যপকতা ও বৈচিত্র্য দুই-ই আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। সুতরাং-
stay tuned

Friday, March 2, 2012

টিআইবির সাথে মিটিং

গত ২৬।০২।২০১২ তে বাংলাদেশ কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশনের সাথে হয়ে গেল টিআইবির মিটিং। বাংলাদেশের কার্টুন আর টিআইবি গত ৬ বছরে ধীরে ধীরে যেন অবিচ্ছেদ্য হয়ে উঠেছে। প্রতি বছর টি আইবি দুর্নীতি বিরোধী কার্টুন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে কার্টুন-প্রেমী সবার ধন্যবাদ কুড়িয়েছে। গত ২০০৯ সালে টি আইবি তাদের পরিচিত সকল কার্টুনিস্টদের নিয়ে রমনা চাইনিজে একটি মুক্ত মত বিনিময় সভার আয়োজন করে, কার্টুনিস্টদের সাথে আরো কিভাবে তাঁরা কাজ করতে পারেন- এই ছিল আলোচনার বিষয়বস্তু। সেই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় এই ফেব্রুয়ারির মিটিং। মিটিং এ টিআইবি কার্টুনিস্টদের সাথে আরো ব্যাপকভাবে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে ও একাধিক প্রকল্পের প্রাথমিক আলোচনা সেখানে করা হয়।


সভায় সভাপতিত্ব করেন টিআইবি'র নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান, এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে মূল ভূমিকা পালন করেন এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সম্মানিত সদস্য কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব।
সভায় কার্টুনিস্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,

নিয়াজ চৌধুরী তুলি
জুনায়েদ আজীম চৌধুরী
আবুল হাসান আবু
মেহেদী হক
সাহানারা নার্গিস শিখা
সৈয়দ রাশাদ ঈমাম তন্ময়
রিফাত আল হাসান






বাঁ থেকে- কার্টুনিস্ট মেহেদী হক, জুনায়েদ, আবু, ও তুলি
আহসান হাবীব
ড. ইফতেখারুজ্জামান বক্তব্য রাখছেন
স্লাইড এ প্রেজেন্টেশন

Sunday, December 18, 2011

AGM (Annual GHOOM Meeting)

আসছে ৩০'শে ডিসেম্বর,ঢাকার সায়েন্স ল্যাব মোড়ের স্টার কাবাবের দুই তলায় বেলা ৩ টায়, বাংলাদেশ কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় ব্যাপক খানাপিনার সাথে কিছু কাজের কথাও হবে। যেমন,
১। সিরিয়াস আড্ডা (দেশ ও দশ , নাম ও যশ)
২। ২০১১ সালে এসোসিয়েশনের কার্যক্রমের পর্যালোচনা
৩। গঠনতন্ত্রের সর্বশেষ খসড়া উত্থাপন ও ছাপাখানায় প্রেরণের পরিকল্পনা
৪। আসন্ন কার্টুন প্রদর্শনী ২০১২ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ
৫। ২০১২ সালে এসোসিয়েশন থেকে কী করা যায় তা নিয়ে আলোচনা
৬। বাৎসরিক সদস্য চাঁদা ১০০০ টাকা (মাত্র) সংগ্রহ

(শেষের পয়েন্ট টার ফন্ট 6 point এ হবে)

Friday, December 16, 2011

টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী কার্টুন প্রতিবাদ


 বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত তাদের দেয়া আশ্বাস ঠুনকো প্রমাণ করতে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের জন্যে এই বাঁধকে একটি মৃত্যুফাঁদ হিসেবে তুলনা করা চলে। এতে করে সুরমা কুশিয়ারা সহ দেশের সমগ্র নদী-ব্যবস্থায় ভয়বহ বিরুপ প্রভাব পরতে যাচ্ছে। দেশের আপামর (সরকার ছাড়া) জনগন এই বাঁধের বিরুদ্বে সোচচার। দেশ বাঁচানোর এই সর্বব্যাপী অনমিছিলে নিজেদের সংহতি জানাতে গত ৩'রা  ডিসেম্বর বাংলাদেশ কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই টিপাইমুখ বাঁধ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে একটি মানব বন্ধনের আয়োজন করে। এতে বাংলাদেশের ১৫ জন কার্টুনিস্টের ১৭ টি কার্টুন ছিল।(নিচে তার কিছু দেয়া হল)


জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কার্টুনিস্টদের টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী প্রতিবাদ। বাম দিক থেকে কার্টুনিস্ট আবু হাসান, রকিবুল হাসান,জুনায়েদ আজীম, মোরশেদ হাসান, মেহেদী হক, তাসনীম, আহসান হাবীব, নাসরিন সুলতানা।



কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব।





তুলি
টিপু


মেহেদী
রকি

শাহরিয়ার শরীফ

তারিক

তারিক

তন্ময়

রাজীব

পলাশ

মিতু

মেহেদী

মেহেদী

জূনায়েদ

আবু

খলিল

রায়হান






Saturday, July 16, 2011

ঝাঁকি মিটিং: বাংলাদেশ কার্টুনিস্ট এসোসিয়েশন

গত ১৫।০৭।১১ তারিখে হয়ে গেল এসোসিয়েশনের ষান্মাসিক আড্ডা। বিকেল থেকেই সবাই যে যার ঐতিহ্য বজায় রেখে (কেউ আধা ঘন্টা পরে, কেউ নির্দিষ্ট সময়ের আধা ঘন্টা আগে) চলে আসতে লাগলো কারওয়ান বাজার স্টার কাবাব এ। স্টার কাবাবের ম্যানেজার এই গ্রুপ্টা দেখে সবসময় মৃত মানুষের দৃষ্টিতে তাকান। ভাবটা অনেকটা এ-ই  ' এইটা কি তগো অফিস দিছি আমরা? আবার এসি রুমে বইতে আইসে, ৫ টাকার কাবাব খাইতে ৫০০০ টাকার ব্যবসা মাইর'

যা-ই হোক আমরা গন্ডারের চেয়েও, অনেকটা দেশের রাজনীতিবিদদের কাছাকাছি মোটা চামড়া বাগিয়ে ফেলেছি, এতে আমাদের থোড়াই পরোয়া। আমরা দেখতে দেখতে জনা ১২ কার্টুনিস্ট যার যার বটি কাবাবের বাটি নিয়ে বসে গেলাম। সভার মূল আকর্ষণ সাদাত ফাঁকি দিয়ে শেষ মূহুর্তে কাট মারলো, সে কারো ফোনই ধরলো না (পুরা রাজনীতিবিদ)। যা-ই হোক কথা মত আমরা সভার দ্বিতীয় এজেন্ডা বটি কাবাবের দিকে মন দিলাম। খাওয়াদাওয়ার সাথে চললো শাহরিয়ার ভাইয়ের শাহী জোকস। তাঁর অনবদ্য ভঙ্গীতে বলা জোকস শুনে সেখানেই হাসতে হাসতে অনেকের বটি কাবাব হজম হয়ে গেল।
এরপর সভার সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সংগঠনের  গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা। সর্বসম্মতিক্রমে কিছু পরিবর্তন- পরিমার্জন ইত্যাদি হয়ে সেটা অনুমোদন করে নেয়া হল এই আড্ডায়। ইতিহাসের আরেক ধাপ- বাংলাদেশের কার্টুনিস্টদের সংগঠনের প্রথম গঠনতন্ত্র লেখা হল।  

একাংশ, কার্টুনিস্ট রাজীব গভীর মনোযোগের ভান করে গঠনতন্ত্র উল্টাচ্ছেন, সেটার পেছনের তাঁর কাবাবের বাটি।পেছনে তারিক সাইফুল্লাহ তাঁর ব্যাগের ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজেকে ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম করবার চেষ্টারত।

জোক্স বলবার সময় হাসির কারণে কেউ শাহরিয়ার ভাইয়ের (সামনে)  ছবি তুলতে পারেনি, হাসি শেষ এর ইমিডিয়েট পরের ছবি, পাশে আবু ভাই (১৭ নাম্বার নানটা ছিঁড়ছেন :)

আরো ছবি-







অতঃপর যে যার ডেড়ায়।
তবে পরের সপ্তাহেই সবাই একসাথে একটা ড্রয়িং ওয়ার্কশপ করা যায় কি না তা নিয়ে জোরালো আলোচনা হয়। এটা আউটডোর হবে না ইনডোর হবে সেটা নিয়ে বিশদ আলোচনা। সেতা আপাতত মূলতবী রেখে সবাই 'ফোন দিমুনি' বলে টাটা জানায়।

(শেষ মূহুর্তে সভায় এসে যোগ দেন কার্টুনিস্ট খলিল রহমান। তাঁর মা অসুস্থ। তাঁর জন্যে শুভকামনা. আর সর্বোচচ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অফিস ইন্ডিয়া বর্ডার এর কাছাকাছি হওয়ায় আসতে পারেননি কালের কন্ঠের কার্টুনিস্টত্রয়- নাজমুল মাসুম, বিপ্লব চক্রবর্তী ও ষুভ)

--
ফটো কার্টেসিঃ কার্টুনিস্ট শিখা